করোনাভাইরাস

করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত না হওয়ার জন্য আমাদের কীভাবে নিজেদের পরিষ্কার রাখা উচিত?

আমাদের চারপাশে বিভিন্ন শক্ত স্তর রয়েছে যেমন দরজার হাতল, গাড়ি বা বাসের হাতল, হাসপাতাল অথবা কোনো পাবলিক প্লেসের বসার চেয়ারের হাতল, চায়ের দোকানের কাপের হাতল সহ ওই জাতীয় স্থান গুলোর দিকে বেশি নজর দিতে হবে।



আমরা যেখানে ব্যায়াম করি বিশেষত জিমের মতো জায়গাগুলিতে ব্যবহারের পরে সরঞ্জামগুলি জীবাণু নাশক দ্বারা মুছে ফেলা গুরুত্বপূর্ণ। বেশিরভাগ জিমে বাণিজ্যিকভাবে জীবাণুনাশক ব্যবহার করা হয়। ওই সকল জীবাণুনাশক জীবাণুগুলিকে মেরে ফেলতে সাহায্য করে, যেমনটি বেনজিল অ্যামোনিয়াম ক্লোরাইড ময়লা এবং প্যাথোজেনগুলি সরিয়ে দেয়।

কোনও জিনিস জীবাণুনাশক দিয়ে মুছে ফেলার পরে  ভেজা অংশটি শুকাতে সময় দেওয়া উচিৎ। তাত্ক্ষণিকভাবে কোনও গামছা দিয়ে সেই জীবাণুনাশককে আর মুছা উচিৎ নয়, কারণ এটি জীবাণুনাশকটির ক্ষমতা কমিয়ে ফেলে।
বাড়ী-ঘর পরিষ্কার করা এতে সংক্রমণ ছড়িয়ে যাওয়ার ঝুঁকি কমাবে। জীবাণুনাশক সারফেসে জীবাণু মারার জন্য রাসায়নিক ব্যবহার করা উত্তম।



ডিটারজেন্ট দিয়ে পরিষ্কার করা যায় এমন অংশ গুলো পরিষ্কার করা এবং রাসায়নিক দিয়ে মুছা যায় এমন জায়গা গুলা ভালো মতো মুছে বাতাসে শুকিয়ে ফেলুন। তবে এই সকল ক্ষেত্রে গ্লোভস পরা উচিৎ।

পরিধান এর কাপড় এর ক্ষেত্র্রে যথাসম্ভব গরম জল দিয়ে ধুয়ে ফেলতে হবে এবং তারপরে শুকাতে হবে। মনে রাখবেন: গরম এবং শুষ্ক অবস্থায় ভাইরাসগুলি ভাল কর্মক্ষম থাকে না। আপনি যদি এই ভাইরাসগুলি জমা করে রাখতে চান তবে ড্রায়ার হ’ল সঠিক জায়গা।

আমাদের কতবার পরিষ্কার করা উচিত?
কমপক্ষে, প্রতিদিন একবার করে , ওই উচ্চ-যোগাযোগের জায়গা গুলো পরিষ্কার করা উচিত। তবে সকল কাজ শেষে আপনার হাত ধুয়ে নিতে ভুলবেন না।

Leave a Reply

Your email address will not be published.

Back to top button