জীবনযাপন

Mind Control Tips/ মন নিয়ন্ত্রণ টিপস

Mind Control

যা জানা সবার জন্য একান্ত প্রয়োজন। জেনে নিন জীবনে উন্নতির জন্য Mind Control/মন নিয়ন্ত্রণ টিপস, যা জানতেই হবে। আমরা জীবনে সবাই উন্নতি চাই। কিন্তু আমাদের মস্তিষ্ক সব সময় আমাদেরকে সাহায্য করে না। কারণ একটি ছোট চারা গাছকে যেমন আপনি বড় করতে গেলে তাকে পানি, সূর্যের আলো ও বিভিন্ন ব্যাকটেরিয়া থেকে রক্ষা করতে হয়। তেমনি  মস্তিষ্কেও বুঝতে হবে। তাকে এলোমেলো ভাবে ব্যবহার করলে এবং তার যত্ন না নিলে সেই আপনার উন্নতির সবচেয়ে বড় বাধা হয়ে দাঁড়াবে

Mind Control এ মন কি

মন বলতে আসলে মস্তিষ্কের একটি অংশকে বুঝায়। এই মন অর্থাৎ মস্তিষ্ক আপনাকে পথে নামিয়ে আনতে পারে আবার উন্নতির চরম শিখরে পৌঁছে দিতে পারে। তাই এই মস্তিষ্কের যত্ন আমাদের নেয়া উচিত। তাকে ভয় পাওয়া উচিত, সে আপনাকে নিয়ে অনেক কিছুই করে নিতে পারে। তার যত্ন নিন, তাকে সঠিকভাবে পরিচালনা করুন। আসুন আমরা মস্তিষ্কের যত্ন নিয়ে কিছু আলোচনা করি।

Mind Control এর তালিকা

হয়তোবা বিভিন্ন বিষয়ে জানা থাকলে, আপনার জন্য ভাল। তবে যে কোন একটি বিষয়ে দক্ষ আপনাকে হতে হবে, আপনার মস্তিষ্ককে বিভিন্ন বিষয়ে দক্ষ না করে, যে কোন একটি বিষয়ে আপনার মস্তিষ্ককে দক্ষ করতে হবে। আপনার মস্তিষ্ক ওই বিষয়ে সঠিক সময়ে সঠিক পরামর্শ আপনাকে প্রদান করবে। দয়া করে কল্পনা করুন, আপনি যদি বিশ্বের সেরা দৌড়বাজ হন তবে…….সেরা”  সেরা কথাটা সব সবই সেরা। 

) সবার সাথে ভালো ব্যবহার করতে হবে।

৩) আজ থেকে কালকে আরো ভালো কিছু করতে হবে অর্থাৎ কাল যেন আজ থেকে খারাপ না হয় সেদিকে সবসময় নজর রাখতে হবে।

 আমরা সকাল বেলা ঘুম থেকে উঠে দাঁত ব্রাশ করি। আমরা প্রতিদিনই ডান হাত দিয়ে ব্রাশ করে থাকি, মাঝে মাঝে আপনি বাম হাত দিয়ে ব্রাশ করার চেষ্টা করুন এতে আপনার মস্তিষ্কের একটি ঘুমন্ত অংশ জাগ্রত হবে। সম্পূর্ণ মস্তিষ্কের আমরা খুব অল্প অংশ ব্যবহার করি, তাই বিভিন্নভাবে ব্যবহার করে, তার বিভিন্ন অংশ কে জাগানোর চেষ্টা করবো।

 ৫) আজকে না কাজটা কালকে থেকেই শুরু করবো। এই কাজগুলো করা যাবে না, মস্তিষ্ক আপনাকে অন্য দিকে নিয়ে যাওয়ার সুযোগ পেয়ে যাবে।  আপনি যখন একটি কাজ আজকে নয় কালকে করবো বলে রেখে দিলেন মস্তিষ্ক আপনাকে বিভিন্নভাবে ওই কাজের বিপরীতে বিভিন্ন ধরনের যুক্তি পরামর্শ আপনার সামনে এনে দাড় করাবে  এবং যুক্তি গুলো এতই মজবুত হবে যে মেনে নিতে বাধ্য হবেন।  তাই মস্তিস্ককে কখনোই সে সুযোগটি দিবেন না।

৬) আপনার অনেক কাজ আছে, সে ক্ষেত্রে গুরুত্ব অনুসারে একটি তালিকা প্রণয়ন করতে হবে। একবারে সব কাজ শুরু না করে, একটি একটি করে কাজ আপনি শেষ করতে থাকুন, দেখবেন দিন শেষে কোন কাজই আর বাকি নেই।

৭) জীবনের একটি লক্ষ্য আপনাকে নির্ধারণ করতেই হবে।  লক্ষ্য যদি আপনার না থাকে তবে আপনার মস্তিষ্ক ধীরে ধীরে কর্ম ক্ষমতা হারাতে থাকবে।  কখনোই সুযোগের অপেক্ষায় বসে থাকবেন না। কোন একদিন সুযোগ আসবে তখন ঝোপ বুঝে কোপ মেরে দেব, এই আশায় কখনোই বসে থাকবেন না। আপনার যে কাজগুলো করা উচিত সে কাজগুলো করে যাবেন

৮) যে কাজটি করতে যাচ্ছেন ওই কাজের ফল কি সেটা সবার আগে বের করুন। কোন কাজের ফল না জেনে ওই কাজ করতে যাবেন না, তাতে খুব বেশিদূর করতে পারবেন না।

৯) ছোট্ট একটি গল্প বলি, চিল কখনোই শিকারে ব্যর্থ হয় না।  কারণ সে তার শিকারের গতিবিধির উপর বহু সময় পর্যবেক্ষণ করে, অনেক ক্ষেত্রে সারাদিন সময় দেয় প্রত্যেকটা নড়াচড়া মুখস্ত করে ফেলে। অনেক ক্ষন অপেক্ষা করে, সে তার শিকারের উপর সর্বোচ্চ শক্তি দিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়ে, যে কারণে সে ব্যর্থ হয় না। তাই আপনার উদ্দেশ্য কে ভালো মত পর্যবেক্ষন করে সর্বশক্তি নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়তে হবে। 

১০মনে রাখবেন, পৃথিবীতে কোন কাজই একদম সহজ নয়। আপনাকে অনেক ঘাত প্রতিঘাত পেরোতে হবে।  সচেতন থাকবেন যেন মস্তিষ্ক আপনাকে কাজের মাঝখানে হতাশার ভেতর টেনে নিয়ে যেতে না পারে।  মস্তিষ্ক এই কাজটি খুব ভালোমতোই সম্পাদন করে। মস্তিষ্কের এই অংশের সাথে যুদ্ধ করে একমাত্র সফল ব্যক্তিরা সফল হতে পারে। আর যারা মস্তিষ্কের এই অংশের সঙ্গে যুদ্ধ করে টিকে থাকতে পারে না তারা ব্যর্থ হয়ে যায়।

 ১১অতীতভবিষ্যৎ নিয়ে বেশি চিন্তা করবেন না। এই চিন্তা আপনাকে আরো পিছিয়ে নিয়ে যাবে। Mind Control এ এটি খুব গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

১২দুশ্চিন্তারাগক্ষোভস্ট্রেস এইগুলা আপনার মস্তিষ্ককে কাজে সমস্যা তৈরি করতে উৎসাহ প্রদান করে। মনে রাখবেন এই বিষয়গুলোর থাকলে আপনার মস্তিষ্কের খুব সুবিধা হয় আপনাকে অন্য পথে পরিচালিত করতে। আমি জানি, এই লেখাটি পড়ে হয়তোবা আপনার মস্তিষ্ক এখন কিছুই বলছে না কিন্তু এই লেখার বিপরীতে বিভিন্ন ধরনের যুক্তি আপনাকে অল্প সময়ের ভেতরে প্রদান করবে। বর্তমান নিয়ে বাঁচতে হবে, মস্তিষ্ককে বর্তমান নিয়ে চলতে হবে

 ১৩) প্রতিদিন দুপুরে কমপক্ষে ১০ মিনিট ঘুমানো। একটি গবেষণায় দেখা গেছে যারা দুপুরে ১০ মিনিট মস্তিষ্ককে বিশ্রাম প্রদান করে, তারা দিনের বাকি সময়টাতে বেশি কাজ করতে পারে।

১৪) সকালবেলা ঘুম থেকে উঠে,  দুই মিনিট গভীর নিঃশ্বাস নিন। 

১৫) যদি সময় থাকে, একটু মনে করার চেষ্টা করুন, রাতে কোন স্বপ্ন দেখেছিলেন কিনা? এই চেষ্টাও আপনাকে মস্তিষ্কের গভীর স্তরে নিয়ে যাবে

১৬) একটি কাজ আপনি শুরু করেছেন, কখনোই ওই কাজে সর্বোচ্চ পর্যায় পৌঁছানো পর্যন্ত, ওই কাজকে ছাড়বেন না। একটি কাজের পিছনে লেগে থাকুন তবে ওখান থেকে সফলতা  আসবেই আসবে। যদি অন্য কাজ করতে হয় তবে ওই কাজের আনুষাঙ্গিক কাজ আপনি করতে পারেন। কিন্তু সম্পূর্ণ ভিন্ন জগতে কখনোই যাবেন না। এই মুহূর্তে আপনার মস্তিষ্ক হয়তোবা বলছে যে এই কাজ থেকে ওই কাজে অনেক বেশী লাভ, আপনি ওই কাজে চলে যান। কিন্তু কখনোই কাজটি করবেন না। আপনার মস্তিষ্ক, মনে রাখবেন আপনাকে ভুল পথে পরিচালিত করবে ,সুযোগ পেলেই। বর্তমান ব্যাবসার সাথে মিল আছে এমন আরো নতুন ব্যবসা খুজুন। আর যদি আপনি ব্যবসা করতে থাকেন তবে তার সাফল্য অনেক কিছুর উপর নির্ভর করে। ব্যবসার সাফল্যের জন্য কিছু হিডেন টিপস, যা কোনো ব্যবসায়ী বলতে চায় না, তা এই লিংক ক্লিক করে জানতে পারেন

3 Comments

  1. চ্যালেঞ্জগুলির একটি খুব স্পষ্ট ব্যাখ্যা সহ সবকিছু খুব খোলামেলা।

    এটা অবশ্যই তথ্যপূর্ণ ছিল.
    আপনার ওয়েবসাইট খুব সহায়ক.
    ভাগ করার জন্য অনেক ধন্যবাদ!

Leave a Reply

Your email address will not be published.

Back to top button